রমজান মাসে ইফতার ও সাহরি বিতরণ

রমজান মাসে ইফতার ও সাহরি বিতরণ

প্রয়োগকৃত পরিমাণ

৳ 900,000

তারিখ

January 07, 2026

অবস্থান

Nationwide

এই অবদানের অর্জন এবং প্রভাবের সারসংক্ষেপ।
রমজান মাস রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস। এই মাসে একটি রোজাদারকে ইফতার করানোর ফজিলত অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি কোন��� রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে তার সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে, তবে রোজাদারের সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না।' এই পবিত্র মাসে আমরা প্রতিদিন শত শত গরিব ও অসহায় রোজাদারের জন্য ইফতার এবং সাহরির আয়োজন করে থাকি। আপনার অনুদানের মাধ্যমে আমরা তাদের হাতে পুষ্টিকর খাবার তুলে দিতে পারি, যা তাদের সারাদিনের রোজা পালনে সহায়তা করে। আপনার সামান্য অর্থায়নে একজন রোজাদার প্রশান্তির সাথে ইফতার করতে পারবে। এই বরকতময় মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এর চেয়ে উত্তম উপায় আর কী হতে পারে? আপনার যাকাত, ফিতরা এবং সাধারণ অনুদান দিয��ে এই মহৎ কাজে আমাদের সহায়তা করুন।

এই ইমপ্যাক্টটি শেয়ার করুন

আমাদের অগ্রগতির কথা অন্যদের জানান। আপনার প্রচার আরও অনেককে আমাদের সাথে যুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করবে।

অন্যদের জানান

আজই দান করুন

প্রকল্প যাচাইকরণ

প্রভাব ভেরিফাইড

এই রেকর্ডটি আমাদের ফিল্ড টিম দ্বারা যাচাইকৃত একটি বাস্তবায়ন নির্দেশ করে।

স্বচ্ছ অর্থায়ন

এই প্রকল্পের জন্য ব্যবহৃত তহবিল দাতাদের অবদানের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের সাথে মিলেছে।

অন্যান্য ইমপ্যাক্ট স্টোরি

সব দেখুন
Jan 2026

শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি

প্রতি বছর শীতের তীব্রতায় আমাদের দেশের উত্তরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষ অসহনীয় কষ্টে দিন ক��টায়। ইসল���ম আমাদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। 'যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়াবী সংকট দূর করে দিবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার সংকট দূর করে দিবেন।' এই অনুপ্রেরণায় আমরা প্রতি বছর শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল, চাদর এবং গরম কাপড় বিতরণ করে থাকি। আপনার একটি উষ্ণ অনুদান একজন বৃদ্ধ, শিশু বা অসহায় ব্যক্তিকে শীতের ভয়াবহ কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে। আপনার দেওয়া একটি কম্বল হয়তো কারো জন্য জীবন বাঁচানোর সমতুল্য হতে পারে। আমরা সরাসরি প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে প্রকৃত অভাবী মানুষের হাতে এই সাহায্য পৌঁছে দিই। আসুন, আমরা আমাদের উষ্ণতা তাদের সাথে ভাগ করে নিই এবং আল্লাহর কাছে প্রিয় পাত্র হওয়ার চেষ্টা করি।

আরও জানুন
Jan 2026

এতিম সহায়তা কর্মসূচি

আমাদের এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সমাজের সবচেয়ে অসহায় ও অবহেলিত এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বারবার এতিমদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঐশী অনুপ্রেরণায় আমরা ১০০ জন এতিম শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, এবং মৌলিক চাহিদা পূরণের দায়িত্ব নিয়েছি। আম���দের লক্ষ্য শুধু তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করাই নয়, বরং তাদের মানসিক ও আত্মিক বিকাশেও সহায়তা করা। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি শিশুর অধিকার আছে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার। আমাদের এই উদ্যোগে আপনার সামান্য অনুদানও একজন এতিমের জীবনে আনতে পারে বিশাল পরিবর্তন। শিশুরা যেন বাবা-মায়ের অভাব অনুভব না করে, সেই লক্ষ্যে আমরা তাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় এবং পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করি। আমরা তাদের জন্য ইসলামিক শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি, যাতে তারা নৈতিক ও ধার্মিক জীবনযাপন করতে পারে। আপনার যাকাত, সাদকা এবং সাধারণ অনুদা�� এই শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে এই মহান কাজে শরিক হই এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করি।

আরও জানুন
Jan 2026

বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্প

পানি আল্লাহর এক অমূল্য নিয়ামত এবং 'পানির অপর নাম জীবন'। কিন্তু আমাদের দেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষ বিশুদ্ধ পানির অভাবে নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'সর্বোত্তম সাদকা হলো পানি পান করানো।' এই মহৎ বাণীকে সামনে রেখে আমরা আর্সেনিকমুক্ত ও নিরাপদ পানির উৎস নিশ্চিত করার জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করেছি। আপনার অনুদানের মাধ্যমে একটি নলকূপ স্থাপন করা হলে একটি পুরো গ্রামের মানুষ নিরাপদ পানি পাবে এবং পানিবাহিত রোগ থেকে মুক্তি পাবে। এটি একটি অসাধারণ সদকায়ে জারিয়া, যার সওয়াব আপনি মৃত্যুর পরেও পেতে থাকবেন। যতদিন মানুষ এই নলকূপ থেকে পানি পান করবে, আপনি তার প্রতিদান পেতে থাকবেন। আসুন, আমরা তৃষ্ণার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই মহৎ উদ্যোগে শরিক হই এবং আল্লাহর রহমত লাভে ধন্য হই।

আরও জানুন
/